top of page
  • Writer's pictureMostafizur Rahman

বিলেতে বাড়ি কেনাবেচা: মর্গেজ কী, কীভাবে করতে হয়? (পর্ব-১)

ব্রিটেনে মানুষের মৌলিক পাঁচটি অধিকারের মধ্যে একমাত্র বাসস্থানই সবচেয়ে ব্যয়বহুল চাহিদা। তাই অনেকেরই নিজের জন্য একটি প্রপার্টি কেনার সামর্থ্য হয়ে ওঠেনা, ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। আজকের যুগে নিজের জন্য একটা প্রপার্টি কেনা অনেকটা সহজ। কারণ প্রপার্টি কিনতে পুরো অর্থের জোগাড় করতে হয়না। যদি কিছু সেভিং থাকে আর ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করার মতো সামর্থ্য থাকে তাহলে খুব সহজেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে স্বপ্নের বাড়ি প্রপার্টি করা যায়। প্রপার্টি কেনার জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়াকে বলা হয় মর্গেজ।


প্রপার্টি ক্রয়ের পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে মর্গেজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই মর্গেজ পাওয়ার উপর নির্ভর করছে আপনি কী ধরনের প্রপার্টি এবং কত দামের প্রপার্টি কিনতে পারবেন।


মর্গেজ পাওয়ার জন্য আপনি সরাসরি কোন হাই-স্ট্রিট ব্যাংকে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা কোন মর্গেজ এডভাইজারের সহযোগিতা নিতে পারেন। হাই-স্ট্রিট ব্যাংক বলতে আমরা গুটি কয়েক ব্যাংক বুঝে থাকি যেমন- ন্যাটওয়েস্ট, হ্যালিফ্যাক্স, স্যানটেনডারসহ আরও কয়েকটি। অন্যদিকে মর্গেজ এডভাইজাররা শতাধিক ব্যাংক এর সাথে ডিল করে থাকেন। আপনি যদি হাই-স্ট্রিট ব্যাংক থেকে মর্গেজ না পান, তাহলে নিরাশ হওয়ার কোন কারণ নেই, আপনি যেকোনো মর্গেজ এডভাইজারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা মর্গেজ প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করতে পারবে।


যুক্তরাজ্যে এমন অনেক ব্যাংক আছে যাদের শুধু হেড অফিস আছে কিন্তু কাস্টমারদের সাথে লেনদেন করার জন্য কোনো শাখা অফিস নেই। এ ধরনের ব্যাংকের সংখ্যা শতাধিক। আর এই ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র মর্গেজ এডভাইজারদের মাধ্যমে মর্গেজ দিয়ে থাকে। একজন সাধারণ কাস্টমারের পক্ষে এই ধরনের ব্যাংক থেকে সরাসরি মর্গেজ নেয়ার সুযোগ নেই।


ব্রিটেনে প্রপার্টি কেনার পুরো প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ প্রপার্টির চাবি হাতে পেতে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে। তাই এ জন্য কয়েক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়াটা জরুরি। আপনি যদি ফার্স্ট টাইম বায়ার হন অর্থাৎ এটিই যদি আপনার প্রথম প্রপার্টি হয় তাহলে হিমশিম খেয়ে যেতে পারেন যে, কোথা থেকে শুরু করবেন? কত পাউন্ড ডিপোজিট লাগবে? আপনার আয় অনুযায়ী কত মর্গেজ পেতে পারেন? কখন সলিসিটর লাগবে? এইসব ব্যাপারে আপনি কার সাথে পরামর্শ করবেন?


যখন কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে থাকে, আবার কেউ যখন আইনি ঝামেলায় পড়ে তখন সলিসিটরদের পরামর্শের প্রয়োজন হয়। তেমনি যারা নিয়মিত প্রোপার্টি কেনাবেচা করে থাকে, তাদের কাছে থেকে বাড়ি কেনার ব্যাপারে পরামর্শ নিতে পারেন। মূলত প্রোপার্টি কেনাবেচায় এস্টেট এজেন্ট, মর্গেজ এডভাইজার আর সলিসিটর এই তিন পেশার মানুষের দরকার পড়বে। এদের মধ্যে মর্গেজ এডভাইজারের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি, যেহেতু একজন মর্গেজ এডভাইজার আপনার বর্তমান সামর্থ্য বিবেচনা করে আপনার জন্য প্রয়োজনীয় মর্গেজের ব্যবস্থা করে দিবেন।


বিভিন্ন ব্যাংকের বিভিন্ন রকম রিকয়ারমেন্ট (চাহিদা) থাকে এবং সবধরণের প্রপার্টিতেও সব ব্যাংক মর্গেজ দেয় না। এ ক্ষেত্রে মর্গেজ এডভাইজার আপনাকে সঠিক সমাধান দিতে পারেন।


যেকোনো মর্গেজ এডভাইজারের সাথে কথা বলার আগে দেখে নিতে হবে তিনি এফসিএ (ফাইন্যানশিয়াল কন্ডাক্ট অথরিটি) অনুমোদিত এডভাইজার কি-না। আপনার এডভাইজার যে কোম্পানিতে কাজ করেন সেই কোম্পানির নাম অথবা FCA নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই এই লিংকে https://register.fca.org.uk/ ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন তাদের রেজিস্টার্ড স্ট্যাটাস।



মর্গেজ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে নিচের ইমেইল অথবা টেলিফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা যাবে।


EMAIL: info@benecofinance.co.uk

PHONE: +4402080502478




留言


bottom of page